অ্যাপসটি সবাই কেন ব্যবহার করতে চায়। কারণ হচ্ছে এতে রয়েছে সকল ধরনের সবিতা। জিটিভি লাইভ খেলা, রেডিও ,টিভি, নিউজ পেপার ,পুলিশের নাম্বার ,লাইভ ক্রিকেট খেলার ,cricket scores ,football scores , অডিও কোরআন শরীফ শুনতে ও পড়তে পারবেন , আরো রয়েছে আপনার সন্তানের পরীক্ষার রেজাল্ট বাহির করতে পারবেন ,ইত্যাদি সকল বিষয়। এবং আরো রয়েছে অনেক ধরনের সুবিধা যেমন আপনি যেখানে ১২ থেকে ১৫ টা সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে । সেখানে আপনি মাত্র চার এমবি একটা সফটওয়্যার ইন্সটল করে সব কাজ করতে পারেন। কোন জামেলা ছাড়াই । এবং ফ্রিতে ইন্সটল করতে পারেন কোন play store সমস্যা পড়তে হবে না । ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল ভালো লাগলে ডাউনলোড করে ব্যবহার করবেন ধন্যবাদ সবাইকে

রোহিঙ্গা মুসলমান হত্যা করতে বান্দরবানের ২ শতাধিক উপজাতীয় সন্ত্রাসী যুবক মিয়ানমারে!


গত ৮ সেপ্টেম্বর আমার একটি পোষ্টে বলেছিলাম যে বাংলাদেশের উপজাতি সন্ত্রাসীরা মায়ানমারের উগ্র বৌদ্ধ দল ৯৬৯ এর সাথে জড়িত এবং এই উপজাতি সন্ত্রাসীরা মায়ানমারে যেয়ে মুসলমান হত্যা করে।  যে বিষয়টি এখন প্রকাশ্য সত্য।

খবরে প্রকাশ বান্দরবান জেলার ২ শতাধিক পাহাড়ি সন্ত্রাসী যুবক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেই। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে, রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর মায়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যায় অংশ নিতে এসকল যুবক বান্দরবানের অরক্ষিত পাহাড়ি সীমান্ত দিয়ে মায়ানমারে পাড়ি দিয়েছে। মায়ানমার সেনাবাহিনী ও রাখাইনের হত্যাকারী যুবকদের সাথে হাত মিলিয়ে তারা গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নি সংযোগ, নির্যাতনসহ মানবিক বিপর্যয়ের বর্বর কার্যক্রমে লিপ্ত রয়েছে।
জানা গেছে, লামা উপজেলার ছাগলখাইয়া মার্মা পাড়ার ২ যুবক ১ মাসের অধিক মায়ানমারে অবস্থান করছে। একইভাবে সাবেক বিলছড়ির একাধিক যুবকও রয়েছে।
লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি, থানচি, রোমা, রোয়াংছড়ি, বান্দরবানের প্রায় ২ শতাধিক যুবক বর্তমানে নিজ এলাকায় নেই। এনজিওতে চাকরি করে বা লেখাপড়ার জন্য বাহিরে রয়েছে এমন প্রচার করে তারা গোপনে অবৈধভাবে মায়ানমারে গমন করেছে।
স্থানীয় অধিবাসীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে এলাকায় অনেক পাহাড়ি যুবক নেই। বেড়ানোসহ বিভিন্ন কথা বলে বাহিরে আছেন মর্মে এলাকায় তাদের আত্মীয় স্বজন প্রচার করছে।
নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত ছেমনআরা জানান, মায়ানমার সেনাবাহিনী বৌদ্ধ সন্ত্রাসী যুবকদের গান  (অস্ত্র) দিয়েছে। সেনাবাহিনীর দেওয়া অস্ত্র দিয়ে বৌদ্ধ সন্ত্রাসী যুবকেরা তার স্বামীকে হত্যা করেছে। প্রাণ বাঁচাতে সে পালিয়ে এসেছে। সেনাবাহিনীর সাথে থাকা অনেক সন্ত্রাসী যুবক মায়ানমারের নয়।
স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক পাহাড়ি যুবক এলাকায় না থাকলেও তাদের পিতা-মাতার চিন্তা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তাদের পরিবারের অনেক সদস্যই মায়ানমারে অবস্থানের বিষয়টি জানে। স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা চলছে। ভয়ে কেউ মুখ খোলছে না।
পাহাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোও বান্দরবান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মায়ানমারে গমন করে সেখানকার সেনাবাহিনীর সাথে তারা হাত মিলিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর বর্বর নির্যাতনের অংশ নিয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় সচেতনমহল এ বিষয়টি গুরুত্বের সহিত বিবেচনা করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দাবি তুলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়টি অনেকদিন পর তাদের নজরে এসেছে।

পাহাড়ের উপজাতি সন্ত্রাসী আর মায়ানমারের বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন। আর তা হলো মুসলমান শহীদ করা।
কথায় বলে সাপ ফণা তুলে ছোবল মারার পুর্বেই আঘাত করা উচিত। অন্যথায় ধ্বংস করে দিবে।
সময় এসেছে উপজাতি সন্ত্রাসীদের তাদের আদিনিবাস মায়ানমারে পাঠিয়ে মুসলমানদের পাহাড়ে ঠাই দেওয়া।

No comments:

Post a Comment

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫