অ্যাপসটি সবাই কেন ব্যবহার করতে চায়। কারণ হচ্ছে এতে রয়েছে সকল ধরনের সবিতা। জিটিভি লাইভ খেলা, রেডিও ,টিভি, নিউজ পেপার ,পুলিশের নাম্বার ,লাইভ ক্রিকেট খেলার ,cricket scores ,football scores , অডিও কোরআন শরীফ শুনতে ও পড়তে পারবেন , আরো রয়েছে আপনার সন্তানের পরীক্ষার রেজাল্ট বাহির করতে পারবেন ,ইত্যাদি সকল বিষয়। এবং আরো রয়েছে অনেক ধরনের সুবিধা যেমন আপনি যেখানে ১২ থেকে ১৫ টা সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে । সেখানে আপনি মাত্র চার এমবি একটা সফটওয়্যার ইন্সটল করে সব কাজ করতে পারেন। কোন জামেলা ছাড়াই । এবং ফ্রিতে ইন্সটল করতে পারেন কোন play store সমস্যা পড়তে হবে না । ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল ভালো লাগলে ডাউনলোড করে ব্যবহার করবেন ধন্যবাদ সবাইকে

যে ৩ টি কারনে দেশজুড়ে সিজার অপারেশন করা হয়

সুএ :- কপি,

যে ৩ টি কারনে দেশজুড়ে সিজার অপারেশন করা হয়

এগুলো হলঃ ১:- টাকার জন্য।
২:- মেডিকেল ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারিক বা ইন্টার্নি করার জন্য।
৩:- প্রাইভেট মেডিকেলে গাইনি ডাক্তাররা সিজার না করালে কর্তৃপক্ষ তাদের হাসপাতালে রাখেনা বলে!!

আমার স্ত্রী সন্তান ধারণের পর মা ও শিশু ক্লিনিকের একজন অধ্যাপকের চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণ করেছিল।প্রসবের সময় হওয়ার পর হঠাৎ একদিন তিনি আমার স্ত্রীর সিজারের তারিখ দিয়ে দিলেন। আমি ডাক্তার সাহেবকে জিজ্ঞেস করলাম : বাচ্চার কোনো সমস্যা আছে? - না।

এরপর আমি আমার এক সহকর্মীর স্ত্রী, যিনি পেশায় একজন ডাক্তার, তাকে দেখালাম। তিনি জানালেন : বাচ্চার পজিশন খুবই ভালো। অপেক্ষা করুন।
সহকর্মীর স্ত্রীর চেম্বার অনেক দূরে হওয়ায় আমি আমার বাড়ির কাছাকাছি মেডিকেল কলেজের একজন সহযোগী অধ্যাপকের কাছে গেলাম। ৪-৫ দিন দেখার পর তিনিও সিজারের তারিখ পছন্দ করতে বললেন। আমি আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখিয়ে তাকে বললাম : কোনো সমস্যা?

তিনি বললেন : বাচ্চার ওজন অনেক বেশি হয়ে গেছে, প্রায় ৪ কেজির ওপরে। বাচ্চা মুভমেন্ট করতে পারছে না; সিজার করতে হবে।
আমি তাকে বললাম : নরমাল ডেলিভারি যাতে হয়, সেজন্য একটু চেষ্টা করুন। ডাক্তার সাহেব বললেন : ওজন ৩.৫ কেজি পর্যন্ত হলে চেষ্টা করতাম, কিন্তু ৩.৫ কেজির বেশি বাচ্চাদের নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হয় না।

ডাক্তারের কথায় আমরা বাধ্য হয়ে সিজার করানোর ব্যাপারে সম্মত হলাম। কিন্তু অপারেশনের পর দেখলাম, আমার বাচ্চার ওজন মাত্র ২ কেজি ৪০০ গ্রাম।
অনেক খোঁজ নিয়ে পরে জেনেছি, মূলত ৩টি কারণে সিজার করাতে মানুষজনকে বাধ্য করা হয়। এগুলো হল- ১. টাকার জন্য। ২. মেডিকেল ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারিক বা ইন্টার্নি করার জন্য। এখানেও ডাক্তাররা ইন্টার্নি ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কমিশন পেয়ে থাকে। (তার মানে কী এটাই যে, এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে ব্যবহারিক ক্লাসে আমরা ব্যাঙের পেট কেটে আবার ছেড়ে দিতাম, তেমনি আমার স্ত্রীর পেট কেটে মেডিকেলের ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারিক করানো হয়েছে?) ৩. প্রাইভেট মেডিকেলে গাইনি ডাক্তাররা সিজার না করালে কর্তৃপক্ষ তাদের হাসপাতালে রাখেন না।

ইউরোপ ও আমেরিকায় সবচেয়ে কম সংখ্যক সিজার অপারেশনের ঘটনা ঘটে। প্রথমত তারা স্বাভাবিক ডেলিভারির সর্বাত্মক চেষ্টা করে। কেউ একেবারে মৃত্যুঝুঁকির দিকে না গেলে তারা সিজার অপারেশনে যায় না। ইতালিসহ ইউরোপের অনেক দেশে ইচ্ছাকৃত সিজার অপারেশনকে বেআইনি হিসেবে গণ্য করা হয়। চরম ভোগান্তির পর আমার এক ডাক্তার বন্ধুকে সব কথা বললাম। সে তখন আমাকে বলল : দেখ, একটা নরমাল ডেলিভারির জন্য একজন ডাক্তারকে ২ থেকে ১৮ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়।

এর বিনিময়ে সে পায় মাত্র ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। আর সিজার করলে ২৫-৩৫ মিনিটে পেয়ে যায় ৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা। তাই এরকম হয়
কিছুদিন আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘টাকা কামাইয়ের জন্য চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারে সন্তান প্রসব করাচ্ছে।’ সর্বশেষ বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক হেলথ সার্ভে-এর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ২৩% সিজার অপারেশন হয় এবং এর ৮০% হয় বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে।

ডাক্তারদের তো দমে দমে টাকার আমদানি। তারপরও তারা যদি আমাদের সামনে মিথ্যে অজুহাত দাঁড় করিয়ে টাকা কামানোর ধান্ধা করেন- বলুন তো, আমরা তাহলে কাদের ওপর নির্ভর করব ???

সচেতন হোন এবং অন্যকে সচেতন করুন।

No comments:

Post a Comment

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫