অ্যাপসটি সবাই কেন ব্যবহার করতে চায়। কারণ হচ্ছে এতে রয়েছে সকল ধরনের সবিতা। জিটিভি লাইভ খেলা, রেডিও ,টিভি, নিউজ পেপার ,পুলিশের নাম্বার ,লাইভ ক্রিকেট খেলার ,cricket scores ,football scores , অডিও কোরআন শরীফ শুনতে ও পড়তে পারবেন , আরো রয়েছে আপনার সন্তানের পরীক্ষার রেজাল্ট বাহির করতে পারবেন ,ইত্যাদি সকল বিষয়। এবং আরো রয়েছে অনেক ধরনের সুবিধা যেমন আপনি যেখানে ১২ থেকে ১৫ টা সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে । সেখানে আপনি মাত্র চার এমবি একটা সফটওয়্যার ইন্সটল করে সব কাজ করতে পারেন। কোন জামেলা ছাড়াই । এবং ফ্রিতে ইন্সটল করতে পারেন কোন play store সমস্যা পড়তে হবে না । ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল ভালো লাগলে ডাউনলোড করে ব্যবহার করবেন ধন্যবাদ সবাইকে

মেয়েদের আসল জীবন কি জানতে হলে পুরো লেখাটা পড়ুন!!!


' ' মেয়েটি তার বাবা- মায়ের একমাত্র আদরের সন্তান।
বিশেষ করে তার বাবার চোখের মণি।
সারাদিন কাশেষে বাসায় ফিরেই মেয়েটির বাবা মেয়েটির মুখ না দেখতে পেলে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন। বাচ্চা মেয়েটা ক্ষুধা একদমই সহ্যকরতে পারে না। ক্ষুধা পেলেই মাথা পুরো আউলা হয় যায় তার। তাই মেয়েটির মা সারাক্ষণই কিছু নাকিছুছোট মেয়েটির হাতের কাছে রাখতেন,যেন যখন ইচ্ছে খেতে পারে। ধীরে ধীরে সেই ছোট্ট মেয়ে বড় হতেথাকল। স্কুলের গন্ডি পেড়িয়ে কলেজে উঠল। কলেজের পড়া অবস্থায় এক সহপাঠীর.সাথে তার মন দেয়া-নেয়া হল। তবে আদরের সন্তান ছিল বলেই কিনামা-বাবাকে তার মনে কথা খুলেও বলতেপারল না। দেখতে দেখতে মেয়েটি কলেজের গন্ডি পেড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখল। এরই মাঝে মেয়েটির বাবা লোকমুখে ঠিকই জেনে গেল মেয়েটির লুকোনো ভালবাসার কথা।তাই মেয়েকে ভাল পাত্রস্থ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। বাবামায়ের বাধ্য মেয়ে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস করল না। আর তাছাড়া মেয়েদের জীবনটাই.তো তৈরি হয়েছে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পোস্টিং নেয়ার জন্য। ফলে একদিন মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেল। অশ্রুভরা নয়ন নিয়ে চলে গেলসে এক নতুন গন্তব্যে, নাম শ্বশুরবাড়ি। নতুন স্থান, সব নতুন মুখ। তাই মেয়েটির মা মনে মনে ভেবে রেখে ছিলেন,আদরের মেয়ের জন্য পছন্দের এটা ওটাবানিয়ে পাঠাবেন। রাতে ঘুম ভেঙে ক্ষুধা পেলে মেয়েটা কিছু খেতে ভালবাসে। ঘুম ভাঙলেই তার শুকনো কিছু খেতে ইচ্ছে করে।এগুলো তো মেয়েটির নতুন বাড়ির কেউ জানে না। আর মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতেও পারবে না। তাই মাঝে মাঝেই নানা জিনিসপত্ রদিয়ে মেয়ের বাবাকে দিয়ে মেয়েটির শ্বশুরবাড়িতে পাঠাতেন। প্রথম কয়েকদিন মেয়েটির নতুন পরিবারের সবাই কিছু না বললেও, কয়েকদিন পরথেকেই এই বিষয়টা নিয়ে সবাই ঠিকইকানা ঘুষা শুরু করে দিল। বিয়ের পর মেয়েদের নাকি বাবার বাড়ির সাথে এত ঘনিষ্ঠতা রাখা ভাল দেখায় না। আর মেয়েটার যা খেতে ইচ্ছে করে,সেসব কি এই বাড়িতে কম আছে নাকি? শুধু শুধু কেন বাবার বাড়ি থেকে এতখাবার জিনিস আনা লাগবে? আস্তে আস্তে মেয়েটার অভ্যাস হয়ে গেল ক্ষুধা সহ্য করার। খালি পেটে বাড়ির সবার জন্যে রান্না করা, সবাইকে খেতে দিয়ে নিজে খেতে বসা এসব কিছুই মেয়েটি আয়স্থকরে ফেলে। আশ্চর্যজনক ভাবে মেয়েটি বেশি কিছুপারে না।তার কেবলই মনে পড়ত নিজের মাকে, যেই মানুষ টার সাথে দিনের পর দিন খেতে বসে তুচ্ছ সব ব্যাপার নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করত। যেই মা সারাদিন সংসারে খেঁটে আর সবার আবদার সামলে নিজে খাবার সময়টা পর্যন্তপেতেন না। মনে পড়ে আদরের সেই বাবাকে,যিনি মেয়েকে ছাড়া এক বেলাওখেতেচাইতেন না। মেয়েটা খুব গোপনে চোখের জল মুছে,আর জোর করে ঢোক গিলে খাবার খায়। একটু পরেই শ্বাশুড়ি এসে মেয়েটি'কে মেয়েটির ননদের বাড়িতে খাবার পাঠানোর জন্য পাঁয়তারা দেয়। মেয়েটি হাসি মুখে ননদের বাড়িতে পাঠানোর জন্যে খাবারের বক্সটা গুছিয়ে দেয়। এই বাড়িতে মেয়েটির বাবা বাড়ি থেকে খাবার আসতে না পারলে কি হবে,এই বাড়ি থেকে ঠিকই এই বাড়ির মেয়েটার পছন্দের খাবার যেতে পারে!‘মেয়ে’ আর ‘বউ’,এই দুই বিশেষ সম্বোধনের জালে মেয়েটি অচিরেই আটকে পরে।.

No comments:

Post a Comment

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫