[X]

ছেঁড়া টাকাটা নিয়ে এখন কী করব?

ছেঁড়া টাকাটা নিয়ে এখন কী করব?

মগবাজার থেকে রিকশায় করে কারওয়ান বাজারে অফিসে যাচ্ছিলাম। পৌঁছে ভাড়া দিতে গিয়ে এক বিপত্তি। কাছে থাকা ১০ টাকার দুটি নোট ছেঁড়া। রিকশাচালক নিতে রাজি হচ্ছেন না, তার ওপর তাঁর কাছে নেই ভাংতি। পরে ব্যাগ হাতড়ে অনেক কষ্ট খুচরো দিয়ে ভাড়া দিলাম। বিরক্তও লাগছিল, ছেঁড়া টাকাটা নিয়ে এখন কী করব?

এমন সমস্যার মুখোমুখি হওয়া লাগে প্রায় প্রতিদিনই। ছেঁড়া নোট পাল্টে নেওয়ার কথা অনেক সময়ই মাথায় আসে না। আসলে ছেঁড়া–ফাটা নোট বদলে নেওয়ার বিষয়ে সামান্য ধারণা না থাকার কারণে অনেককেই এই ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেক সময় ছেঁড়া বড় নোট বাজারে চলবে কি না, এই দুশ্চিন্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন গ্রাহক। ব্যাগের এক কোনায় পড়েই থাকে অচল নোটটি।

শুধু ঢাকা নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও কোনো না কোনো ব্যাংকের শাখা আছে। সবখানেই ছেঁড়া–ফাটা নোট গ্রহণ করা হয়। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিষয়টি মনিটরিংও করা হয়। এমনকি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশেষ সভা, বিশেষ পরিদর্শন চালায় বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের মার্চে, কোনো ব্যাংকের শাখা ছেঁড়া–ফাটা নোট বদলে না দিলে সেই ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর (এমডি) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুবিধা প্রদান না করা হলে গ্রাহক বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর অভিযোগ করতে পারেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ছেঁড়া–ফাটা নোট যদি বদলযোগ্য হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেও বদলে নেওয়া যায়। অবস্থাভেদে ১০০ ভাগ, ৭৫ ভাগ, ৫০ ভাগ রিফান্ড করা হয়। সাধারণত ৫১ শতাংশের কম ছেঁড়া থাকলে নোটের পুরো মূল্যমানই প্রদান করা হয়। তবে একটি নোটের অর্ধেকও কম অংশ থাকলে, তা আর রিফান্ড করা হয় না।

এ ছাড়া দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের যেকোনো শাখায় গিয়ে বদল করে নেওয়া যায় ছেঁড়া–ফাটা নো

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫