[X]

মুখ পুড়ছে ফেয়ারনেস ক্রিমে, লম্বা লাইন চেম্বারে

পুজোয় অনেকের প্রশংসা জুটেছিল বরাবরের শ্যামলা কিশোরীর৷ ইদানীং নাকি জেল্লা দিচ্ছে তার ফর্সা মুখ৷ কালীপুজোর আগেই অবশ্য মুখের হাসি মিলিয়ে যাওয়ার অবস্থা৷ রোদে বেরোলেই মুখ এত জ্বালা করছে যেন লঙ্কাবাটা ঘষে দেওয়া হয়েছে৷ ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনের ত্বকরোগ বিভাগের চিকিত্‍সক দেখেই বুঝেছিলেন, ফর্সা হওয়ার ক্রিম মেখেই এমন দশা কিশোরীর৷ কলেজ পড়ুয়া তরণ বুঝতেই পারছিলেন না মুখের শিরাগুলো কেন এত প্রকট হয়ে উঠছে৷ সঙ্গে ব্রন৷ পাড়ার ওষুধের দোকানির দেওয়া ওষুধ লাগিয়ে হিতে বিপরীত হওয়ার পর যখন ডাক্তারের কাছে গেলেন, চিকিত্‍সকের বুঝতে অসুবিধে হয়নি, সমস্যার সূত্রপাত কোথায়৷ সদ্য চাকরি পাওয়া যুবতীর অবশ্য শিকড়টা ধরতেই সমস্যা হচ্ছিল৷ মুখমণ্ডলে আচমকা গজিয়ে ওঠা লোম সামলাতে মহালয়ার পর তিনি বিউটি পার্লারে গিয়েছিলেন৷ কিন্ত্ত ফের তা ফিরে আসে পুজোর মধ্যেই৷ গণ্ডগোলটা যে ফেয়ারনেস ক্রিম থেকে, তা না-বুঝতে পারায়, তার ব্যবহারও বন্ধ করেননি৷ ক’দিন আগে ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ তাঁকে ফর্সা হওয়ার ক্রিমটা লাগাতে নিষেধ করেন৷ এর মধ্যেই অবশ্য লোমের ফাঁকে জন্মানো ব্রনগুলো কালো হয়ে গিয়েছে৷ সরকারি হোক বা বেসরকারি-পুজো মিটতেই শহরের ত্বকরোগ ক্লিনিকগুলোয় ভিড় বেড়ে গিয়েছে ক্ষতবিক্ষত মুখ নিয়ে আসা রোগী-রোগিণীর৷ চিকিত্‍সকদের মূল্যায়ন, এঁরা প্রত্যেকেই সুন্দর হওয়ার মাসুল দিচ্ছেন ভয়ঙ্কর অসুন্দর মুখ নিয়ে৷ তাঁদের মধ্যে কয়েক জন বিউটি পার্লারে ব্লিচ করতে গিয়ে স্কিন র্যাশের শিকার হয়েছেন৷ তবে সিংহভাগ কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীই ফর্সা হওয়ার লোভে পড়ে ফেয়ারনেস ক্রিমে মজে মুখ পুড়িয়েছেন৷ কেউ ওষুধের দোকানি তো কেউ বিউটিশিয়ানের পরামর্শে, আর অধিকাংশই বন্ধুবান্ধবের অভিজ্ঞতা আর টিভি-র বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত হয়ে ব্যবহার করেছেন ফর্সা হওয়ার হরেক ক্রিম৷ পুজো ম

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫