অ্যাপসটি সবাই কেন ব্যবহার করতে চায়। কারণ হচ্ছে এতে রয়েছে সকল ধরনের সবিতা। জিটিভি লাইভ খেলা, রেডিও ,টিভি, নিউজ পেপার ,পুলিশের নাম্বার ,লাইভ ক্রিকেট খেলার ,cricket scores ,football scores , অডিও কোরআন শরীফ শুনতে ও পড়তে পারবেন , আরো রয়েছে আপনার সন্তানের পরীক্ষার রেজাল্ট বাহির করতে পারবেন ,ইত্যাদি সকল বিষয়। এবং আরো রয়েছে অনেক ধরনের সুবিধা যেমন আপনি যেখানে ১২ থেকে ১৫ টা সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে । সেখানে আপনি মাত্র চার এমবি একটা সফটওয়্যার ইন্সটল করে সব কাজ করতে পারেন। কোন জামেলা ছাড়াই । এবং ফ্রিতে ইন্সটল করতে পারেন কোন play store সমস্যা পড়তে হবে না । ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল ভালো লাগলে ডাউনলোড করে ব্যবহার করবেন ধন্যবাদ সবাইকে

#কী_এই_ব্লু_হোয়েল_গেম? #কেন_মানুষ_মারা_যাচ্ছে_গেমটা_খেলে.

শুধু বলে রাখি ইন্টারনেট জগত ৩ ভাগে বিভক্ত।
আমরা যে নেট ব্যবহার করি তা পৃথিবীর ১০০ ভাগ এর ১ভাগ মাত্র এখন বুঝতে পারছো আমাদের অজান্তে আর কি কি আছে ইন্টারনেটে।
কিন্তু এগুলা Google দেখতে পায়না।এই গুলা শুধু মাত্র Tor User রা ব্যবহার করে। এগুলা নিয়ে অন্য দিন একটা পোস্ট করবো।
#blue_Whale������

কী এই ব্লু হোয়েল ?
����������

এটি একটি অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ যা যুবসম্প্রদায়কে নিজেদের ক্ষতি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়।

---গ্রুপের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রতিযোগীদের ৫০ দিনের চ্যালেঞ্জ দেন

--সারাদিন গান শোনা, মাঝরাতে ভয়ের সিনেমা দেখার মতো প্রতিদিনই নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়

---সময় যত এগোয় চ্যালেঞ্জ তত কঠিন হতে থাকে

---হাত কেটে ব্লু হোয়েলের ছবি আঁকতে দেওয়া হয়

--প্রতিদিনের কাজ শেষ করার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে হয়

--পঞ্চাশতম দিনে প্রতিযোগীকে আত্মহত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়

--যাঁরা আত্মহত্যার মতো চরম পদক্ষেপ করতে ভয় পান তাদের হুমকি দেওয়া হয়, কাছের কোনও মানুষের ক্ষতি হবে

এ মারণ খেলার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কে?

---এমন একজন যে প্লেয়ার ধরার জন্য অনলাইনে ওত পেতে বসে থাকে

--কেউ গেম খেলতে রাজি হলে পর্দার আড়ালে থেকে সে খেলাটি পরিচালনা করে

--অংশগ্রহণকারীদের টাস্ক’দেয়

--কাজ শেষ হওয়ার পর একেই ছবি পাঠাতে হয়

নীল তিমি খেলায় তিমি কে? অর্থাৎ হোয়েলটা কে?

--এই খেলায় অংশগ্রহণকারীদের হোয়েল বলা হয়

--স্বেচ্ছায় তারা এই মারণ খেলায় যোগ দেয়

--এরাই অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের দেওয়া ‘টাস্ক’ করে এবং ছবি পাঠায়

--গেমের শেষে এদেরই আত্মহত্যা করতে বলা হয়

২০১৩ সালে রাশিয়ায় শুরু হয় এই মারণ খেলা। প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে দু’বছর পর ।

কী ভাবে বিস্তার ?

২০১৩ সালে রাশিয়ায় প্রথম সূত্রপাত

২০১৫ সালে প্রথম আত্মহত্যার খবর পাওয়া যায়

গেমের এক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ফিলিপ বুদেইকিন রুশ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়। তার দাবি ছিল, সমাজ সাফাই করতেই এই গেম ছড়িয়েছে সে

১৬ জন কিশোরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ফিলিপের বিরুদ্ধে

গত কয়েক মাসে মস্কোতে ব্লু হোয়েল সুইসাউড চ্যালেঞ্জের মাস্টারমাইন্ডকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইউরোপীয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কের হাত ধরেই ছড়িয়েছে এই গেম

গেম নিয়ে একাধিক প্রশ্ন

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত এই গেমটি হাইড থাকে, তা হলে যারা এর খপ্পরে পড়েন তাঁরা কীভাবে এর সন্ধান পান ?

অনেকের দাবি, এর জন্য একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হয়। অন্য সূত্র বলছে, কেউ গেমটি খেলতে চাইলে অ্যাডমিনিস্ট্রটরের খোঁজে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে #ব্লুহোয়েলচ্যালেঞ্জ, #আইঅ্যামহোয়েল লিখে পোস্ট করেন। অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিজেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন নবীন প্রজন্ম জেনেশুনে কেন এই জীবনঘাতী খেলায় জড়াচ্ছে ?

No comments:

Post a Comment

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫