অ্যাপসটি সবাই কেন ব্যবহার করতে চায়। কারণ হচ্ছে এতে রয়েছে সকল ধরনের সবিতা। জিটিভি লাইভ খেলা, রেডিও ,টিভি, নিউজ পেপার ,পুলিশের নাম্বার ,লাইভ ক্রিকেট খেলার ,cricket scores ,football scores , অডিও কোরআন শরীফ শুনতে ও পড়তে পারবেন , আরো রয়েছে আপনার সন্তানের পরীক্ষার রেজাল্ট বাহির করতে পারবেন ,ইত্যাদি সকল বিষয়। এবং আরো রয়েছে অনেক ধরনের সুবিধা যেমন আপনি যেখানে ১২ থেকে ১৫ টা সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে । সেখানে আপনি মাত্র চার এমবি একটা সফটওয়্যার ইন্সটল করে সব কাজ করতে পারেন। কোন জামেলা ছাড়াই । এবং ফ্রিতে ইন্সটল করতে পারেন কোন play store সমস্যা পড়তে হবে না । ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল ভালো লাগলে ডাউনলোড করে ব্যবহার করবেন ধন্যবাদ সবাইকে

রামগঞ্জে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থআত্নসাৎসহ ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ


লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ জিয়াউল হক হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ তাজুল ইসলাম পাইনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্নসাৎ, অসৌজন্যমূলক আচরন,কমিটির সাথে সমন্বয়হীনতাসহ ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। ফলে দিন দিন শিক্ষারমান নিম্নগামী হয়ে যাচ্ছে।ফলে অভিভাবক ও এলাকাবাসী মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করঝে
এলাকাবাসী, অভিভাবক ও কমিটির সদস্য সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ ভর্তিকৃত ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে উপবৃত্তির ফরম বাবদ ১শত থেকে ২শত টাকা, উপবৃত্তির টাকা বিতরনের নামে ৩শত থেকে ৪শত টাকা আদায় করে,  ২০১৬/২০১৭, ২০১৭/২০১৮ সালের শিক্ষাবর্ষের ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি, রেজিষ্টেশনে রেজুলেশন কৃত অর্থ আদায় করে ননিদিষ্ট ফান্ডে জমা না দিয়ে ও ভর্তি বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আত্নসাৎ করে আসছে। এ ছাড়া সরকারী নিয়মবর্হিভূত  প্রবেশপত্র বাবদ ৫শত টাকা, মার্কসিট ও সনদপত্র বাবদ ৫শত থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে। প্রতিষ্ঠানের যে কোন উন্নয়নের বরাদ্ধ কমিটি কাউকে না জানিয়ে নিজেই বিল ভাউসারে সাক্ষার করে পাশ করিয়ে আত্নসাৎ করছেন। ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকের কথা বিবেচনা না করে নিজের খামখেয়ালিভাবে পরিক্ষার কেন্দ্র  অত্র প্রতিষ্ঠান রেখে পরিক্ষার ১০/১২ কিলোমিটার দূরে দল্টা কলেজে নিয়ে যায়। তিনি এসব দূর্নীতি করার ক্ষেত্রে  কমিটিসহ কাউকে পরোয়া করছেন না।বরং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করেন। ফলে প্রতিবছর ছাত্রছাত্রী কমতে থাকে, অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে তাদের ছেলে মেয়েদেরকে অন্যত্রে ভর্তি করছে। কলেজের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ও  বিগত ২ বছর যাবত প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয় কোন হিসাব দেননি এবং প্রতিষ্ঠানের কোন সিদ্ধান্ত অবগত করানি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে তাঁর কোন প্রকার সমন্বয় নেই। বর্তমানে  অধ্যক্ষ কমিটি গঠন নিয়ে নিজের পছন্দের লোককে  সভাপতি করতে নানা কূটকৌশল চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোঃ তাজুল ইসলাম পাইন মুঠোফোনে জানান, এসব ব্যাপারে আমি সাক্ষাতে বক্তব্য দেব, সব অভিযোগ মিথ্যা।
স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু ইউছুফ জানান, অধ্যক্ষ সভাপতি হিসাবে আমার সাথেও সমন্বয় করছেন না। বিগত ২ বছর যাবত কলেজের কোন হিসাব নিকাস ও উপস্থাপন করেনি।

No comments:

Post a Comment

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫