[X]

বেনাপোল বন্দরে ৩৮টি আমদানি পণ্যে বাধ্যতামুলক স্কার্নিং

সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ,বেনাপোল প্রতিনিধি: জাতীয় রাজস্ব বোড্রের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও বাণিজ্য সহজীকরনে বেনাপোল বন্দরে ৩৮টি ভারতীয় আমদানি পন্যের উপর শর্তসাপেক্ষে ধ্যতামুলক খালাসের পূর্বে  মোবাইল স্ক্যানিং ঘোষণা  করেছেন কাস্টমস হাউজ।
বেনাপোল বন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ  বেলাল হোসাইন চৌধুরী সাক্ষরিত চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার সাক্ষরিত পত্রটি অবগতির জন্য বন্দর,কাস্টমস,সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ বানিজ্যের সাথে সংশিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরেও দেওয়া হয়েছে। এই স্ক্যানিংয়ের ক্ষেত্রে নিদিষ্ট হারে আমদানি কারকদের অর্থও পরিশোধ করতে হবে উল্লেখ্য করা হয়েছে।

কাস্টমস ও বন্দর সুত্রে জানা যায়, উপরে উল্লেখিত পন্য চালানগুলোতে  ব্যবসায়ীরা বেশি অনিয়ম করে থাকেন। এছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় শুল্ককর ফাঁকি ও দেওয়া হয়ে থাকে এসব পন্যে।  অগ্নিকান্ডের ঘটনাও বেশি ঘটে কেমিক্যাল পণ্য থেকে।  এখন এসব পণ্যে মোবাইল স্ক্যানিং নিয়ম চালুর ফলে যেমন মিথ্যা ঘোষনায় পন্য পাচার বন্ধ হবে। তেমনি অগ্নিকান্ডের ঘটনাও কুমবে। সঠিক নিয়মে রাজস্ব আদায়েও বড় ভুমিকা রাখবে।

এদিকে বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, এপথে বেশি ভাগ শিল্প কারখানার জরুরী কাচামাল আমদানি হয়ে থাকে। তারাও চায় স্বচ্ছ ভাবে বাণিজ্য প্রসারে এসব পণ্য আমদানিতে স্ক্যানিং চালু হোক। তবে এ নিয়মের ফলে বানিজ্যে চরম ভাবে ধীর গতি নামবে। এমনিতেই বিভিন্ন কারনে বেনাপোল রুটে পন্য আমদানিতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এক্ষেত্রে দ্রুত স্ক্যানিংয়ে কাস্টমস ও বন্দরের জনবল বাড়াতে  হবে। তা না হলে  ব্যবসায়ীরা যেমন লোকশানের কবলে পড়বেন তেমনি শিল্পকারখানায় উৎপাদন কাজও ব্যহত হবে।


অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫