[X]

ঐক্য দেখে সরকার আতঙ্কে : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জনগণের ঐক্যের প্রতিফলন ঘটেছে মহানগর নাট্যমঞ্চে। এই ঐক্য দেখে সরকার আতঙ্কে রয়েছে। কারণ এই ঐক্যের সঙ্গে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি তাদের নেই। সেজন্য আজ তারা আবোল-তাবোল কথা বলছে। এই ঐক্য যদি তাদের আগামী দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধা না হয়, তাহলে কেন তারা আবোল-তাবোল বলছে। এটাই প্রমাণ হয় যে, এই ঐক্য ও জনগণকে তারা ভয় পাচ্ছে।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়া ও হাবীব-উন-নবী খান সোহেলসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে নাসির উদ্দিন পিন্টু স্মৃতি সংসদ আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি একথা বলেন।

আওয়ামী লীগ ছাড়া জাতীয় ঐক্য কীভাবে হবে, ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যকে হাস্যকর উল্লেখ করে ড. মোশাররফ বলেন, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। তাদের তাড়ানোর জন্য এই সংগ্রাম, এখন যাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম তাদের নিয়ে কি ঐক্য হয়?

তিনি বলেন, যদিও এটা হাস্যকর, তারপরও বলতে চাই আপনারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে জনগণের যে ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, সেজন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চান। যদি পাঁচ দফা মেনে নিয়ে ঘোষণা দেন, তাহলে আমরা আপনাদের জাতীয় ঐক্যে স্বাগত জানাবো। এটা কথার কথা, এটা তারা পারবে না, তাদের সেই সাহস নেই।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে, নির্বাচন কমিশন পুনঃগঠন করতে হবে, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং ইভিএম বাতিল করতে হবে। এসব ইস্যুতে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ছাত্র যুবক সব ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ সাজানো মামলায়, ভিত্তিহীন মামলায় কারাগারে। এখন একটি পরিত্যক্ত কারাগারে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করেছিলাম দেশনেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে সরকারি চিকিৎসক দিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু কথা রাখেননি। তারা যে মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছেন সেই ডাক্তাররাও বলেছেন বিশেষায়িত হাসপাতালে নেয়ার কথা। কিন্তু সরকার তা করেনি।

বেগম খালেদা জিয়াকে এভাবে তিলে তিলে শেষ করে দিতে চাইছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত তিন লাখ ১৩ হাজার ১৩০ জনের নামে ৩ হাজার ৬৩৬টি মামলা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ এক ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আর এদেশে হতে দেওয়া হবে না। এটা জেনেই তারা বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের এমনভাবে কোণঠাসা করতে চায়, জেলে নিতে চায়, যেন আমাদের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে ভূমিকা রাখতে না পারে।

সংগঠনের সভাপতি সাইদ হাসান মিন্টুর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, নিপুণ রায় চৌধুরী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetv24@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫