রামগঞ্জ চাঁদা দাবীতে সংঘর্ষ আহত -৭


লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দল্টা বাজারে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষে ৭ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৭টায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, ডাক্তার হুমায়ুন কবীর, যুবলীগ নেতা আরাফাত হোসেন রনি, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ সম্পাদক জাকির হোসেন পাটওয়ারী, দল্টা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারন সম্পাদক কাজল পাটওয়ারী, ৮নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা হালিম মেম্বার, ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি কবির হোসেন সুমন ও তার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ বাবু।
উভয়পক্ষের আহতদের রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ডাক্তার হুমায়ুন কবীর জানান, তার ছোট ভাই আওয়ামীলীগ নেতা জাকির পাটওয়ারী দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় ট্রলি ও মাটি কাটার ব্যবসা চালিয়ে আসছে। কিন্তু শুক্রবার সকালে হটাৎ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক জাহীদ হাসান, সহ-সভাপতি কবির হোসেন সুমন ও ওয়ার্ড মেম্বার আবদুল হালিমের নেতৃত্বে ট্রলি চলাচল বন্ধ করে দিয়ে চাঁদা দাবী করেন। তাদেরকে প্রতিমাসে ট্রলি প্রতি ৫হাজার ও প্রতি পিকআপ ১০ হাজার টাকা দেয়ার জন্য হুমকি দেয়।
চাঁদা দাবীর বিষয়টি আমরা দলের সিনিয়র নেতাদের জানালে তারা কৌশলে বাজারের ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধায় সমাধানের কথা বলে আমার দোকানে বসে হটাৎ বাজারের বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এসময় তাদের হামলায় আমিসহ যুবলীগ নেতা আরাফাত হোসেন রনি, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ সম্পাদক জাকির হোসেন পাটওয়ারী, দল্টা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারন সম্পাদক কাজল পাটওয়ারী মারাত্মক আহত হয়। এ ঘটনায় আমরা থানায় মামলা করবো।
তবে চাঁদা দাবির বিষয় অস্বীকার করে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক জাহীদ হাসান জানান, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ট্রলি চলাচলের কারনে রাস্তা নষ্ট হওয়ায় ট্রলি মালিককে ট্রলি বন্ধ রাখতে বলা হয়। স্থানীয় লোকজন ট্রলি চলাচলের কারনে আওয়ামীলীগ নেতাদেরকে গালাগাল করায় আমরা বার বার জাকির পাটওয়ারীকে সতর্ক করে দিলে তিনি আমাদেরকে উল্টো দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। পরে আজ দুপুরে আমি দল্টাবাজার গেলে ডাক্তার হুমায়ুনের লোকজন প্রাইভেটকার দিয়ে আমার মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে আমি আহত হই।
এরই ঘটনার জের ধরে আজ সোমবার রাতে আমরা স্থানীয় গণ্যমান্য লোকদের উপস্থিতিতে দল্টা বাজারে বৈঠকে বসলে ডাক্তার হুমায়ুনসহ ১৫-২০জন লোক আমাদের উপর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জানান, চাঁদা দাবির ঘটনা ভিত্তিহীন। মূলত ট্রলি চলাচলে রাস্তা নষ্ট হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ করায় যুবলীগ নেতা জাহীদ হাসান, মেম্বার আবদুল হালিম, যুবলীগ নেতা কবির হোসেন সুমন ও তার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ বাবুর উপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা।
রামগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) ফজলুর রহমান জানান, শালিশ বৈঠকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

loading...
অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetvnews@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫