[X]
loading...

বেনাপোলের পল্লীতে প্রবাসী জামাল হত্যার খুনিদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

সাহাবুদ্দিন আহমেদ, বেনাপোল : যশোরের বেনাপোলে প্রবাসী জামাল হোসেনের খুনিদের আটক ও দ্রুত বিচারের দাবিতে মানব বন্ধন করেছেন তার পরিবারের সদস্য ও  গ্রামবাসী।

সোমবার(২০মে) ১১ টার সময় বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা মাদ্রাসার সামনে এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানব বন্ধন থেকে জানাযায়, বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ধান্যখোলা গ্রামের বাসিন্দা জামালের সাথে প্রতিবেশি রেজাউল টুকির মেয়ে আয়েশার বিবাহ হয়। পরে সংসারে স্বচ্ছলতা আনতে বিদেশ (মালয়েশিয়া) যায় জামাল হোসেন। প্রায় ১৫ বছর যাবত সে মালেশিয়াতে কাজ করতে থাকে আর টাকা পাঠায় শাশুড়ির নামে। ইতিপূর্বে সে দুইবার দেশের বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু স্ত্রীর পরকিয়ার কারণে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো ছিল না। দ্বিতীয় বার সে বাড়িতে আসলে বিদ্যুৎ দিয়ে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে স্ত্রী আয়েশা খাতুন। ওই মুহুর্তে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে যায় সে। পরে আবার বিদেশে পাড়ি জমায়। সর্বশেষ গত ১৪ মে সে ৩য় বারের মতো বিদেশ থেকে স্ত্রীর জন্য অলংকারসহ উপহার সামগ্রী নিয়ে বাড়ি ফেরে। কিন্তু আগে থেকে ওৎপেতে থাকা ঘাতক স্ত্রী ও শ^শুর-শাশুড়ি ভাড়াতে কিলার রেখে তাদের ছাদের উপর মদ্যপ আড্ডা দেওয়ায়। পরে রাত নিঝুম হলে তাকে খুচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত জখম করে হত্যা করা হয় এবং রোহিঙ্গারা তার জামাইকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে বলে চিৎকার করে লোক জড়ো করে হত্যার সিকার জামালের শাশুড়ি। পরে স্থানীয়রা বেনাপোল পোর্ট থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থল থেকে নিহতের স্ত্রী, শশুর-শাশুড়িকে আটক করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে জামালের স্ত্রী, শ^শুর ও শাশুড়ির নামে মামলা করেন বলে জানালে বাবলুর রহমান। তিন হত্যাকারীর নাম উল্লেখ করে মামলা করা হলেও কিভাবে সকল আসামী অজ্ঞাত হলো তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। বলেন আদৌ এ হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার পাবেন কি না। এছাড়া আটকের দুই দিন পরে কিভাবে হত্যার সিকার জামালের শ^শুরকে নির্দোশ বলে ছেড়ে দেওয়া হলো তা নিয়েও কথা বলেন মামমলার বাদী বাবলুর রহমান।

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্য(ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, এ হত্যাকান্ডের সাথে হয়ত তার স্ত্রী জড়িত থাকতে পারে, কিন্তু শ^শুর ও শ^াশুড়ি জড়িত কি না, বা ঘটনাটি জানতে পেরে মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করল কি না এবং আসলে স্ত্রী জড়িত কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে, এ হত্যাকান্ডের সাথে যেই জড়িত হোক না কেন, সে কোন ভাবেই ছাড় পাবে না। তাকে আইনের আদালতে বিচার হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অফিস ॥ ৯২ আরামবাগ, ক্লাব মার্কেট, মতিঝিল। ই-মেইল ॥ banglaonlinetvnews@gmail.com
প্রকাশক মোঃ রাসেল জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি রেজিঃ নং: ঢ_০৮৮৩৭
অনলাইন নিতীমালা মেনে আবেদন কৃত সম্পাদক॥ রাজু আহমেদ অনুমোদিত নাম্বার ০৫/৯৩১৭০২৬৫